Last Newse
....:::: # মতিঝিলে ১০ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২ # চকবাজারে ৫২০ পিস ইয়াবাসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার। # প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের যুগ্ম সচিব পরিচয়দানকারী দুই প্রতারক গ্রেপ্তার। # ই-কমার্স ব্যবসার নামে ২৬৮ কোটি টাকার প্রতারণা SPC : গ্রেফতার ৬ .....::::: ★ AMnewse24 এর উদ্দেগে অনলাইনে একটি নতুন সেবা মূললক প্রতিষ্ঠান YouTube Subscribe and Real Sell Points এখান হতে ইউটিউব ভিউ/ সাসক্রাইব / লাইক/ কমেন্ট নিতে পারবেন। ১) 50 সাসক্রাইব 1.50$ (120 টাকা) মাত্র, 2) 100 সাসক্রাইব 3.00$ (240 টাকা) মাত্র। .....::::::::::..... ★ AMnewse24 এর পক্ষ থেকে আপনাদের সবাইকে যানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা এবং সালাম আসসালামু আলাইকুম । আমাদের সাইটে আপনি আপনার কম্পানী বা প্রতিষ্ঠান বা ওএব সাইটের এড দিতে যোগাযোগ করুন। যোগাযোগঃ প্রচার সম্পাদক, মোবাইল নাম্বর 01517070337 অথবা ইমেইল mcti.gp01@gmail.com এর মাধ্যমে। ধন্যবাদ ।

বৃহস্পতিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

ঘরে ঘরে সিন্দুকে রাখা ১০০০ ও ৫০০ টাকার নোট বাতিলের চিন্তা

ঘরে ঘরে সিন্দুকে রাখা ১০০০ ও ৫০০ টাকার নোট বাতিলের চিন্তা
প্রতীকী ছবি
রাজস্ব, আয়কর না দিয়ে অনেকেই বাসা-বাড়ি, অফিসে কোটি কোটি টাকা রাখছেন। এত বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ বাসা-বাড়িতে রাখায় বিস্ময় সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নিজের কাছে নগদ রাখা এ বিপুল অর্থের পুরোটাই অপ্রদর্শিত। এসব অর্থের বেশির ভাগ ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট।

বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশে এভাবে বাতিল করলে অনেকে বিপাকে পড়বেন। তাই কোনো কোনো মহল থেকে প্রস্তাব উঠেছে বাংলাদেশে বর্তমানে প্রচলিত ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিল করে নতুন টাকা  ছাপানো উচিত।

কালোবাজারি, মাদক, জুয়া, ঘুষ, দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত হয়েছে এসব জমানো অর্থ। অবৈধভাবে আয়ের সব টাকাই বাসা-বাড়িতে জমিয়ে রাখছেন সংশ্লিষ্টরা। অভিযানে দেখা গেছে, উদ্ধার হওয়া অর্থের মধ্যে বেশির ভাগ ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট। দেশের সবচেয়ে বড়মানের টাকা ৫০০ ও ১০০০। জমাতে সুবিধা হওয়ায় তারা এ দুটি নোট পছন্দ করছেন।
ফলে ব্যাংক থেকে বের হওয়ার পর বাড়ির সিন্দুকে আটকে যাচ্ছে সব টাকা।
ভারত সরকার দেশের এ অবৈধ জমানো টাকা মূলস্রোতে বা বিনিয়োগে নিয়ে আসতে ২০১৬ সালের নভেম্বরে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিল করে। ভারতে ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে লেনদেন অনেকাংশে দুই বড়মানের নোটের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়ে থাকে। সব বড় নোট বাতিল করার ফলে ব্যবসা-বাণিজ্যের লেনদেনের ক্ষেত্রে বড় সফলতা পেয়েছে দেশটি। এক্ষেত্রে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে লেনদেনের বিস্তৃতি বেড়েছে। আর এতে আয়ের ওপর আরোপনীয় কর বিশেষ করে আয়কর ও মূল্যসংযোজন কর পরিশোধে বাধ্য হচ্ছে লেনদেনকারীরা। এর বাইরে বেআইনিভাবে প্রাপ্ত বা আয়কর ফাঁকি দিয়ে ব্যাংকব্যবস্থার বাইরে গৃহে রক্ষিত সম্পদ দুর্নীতি, ঘুষের অর্থ সাধারণত বড় নোট যথা ৫০০ ও ১০০০ টাকা রাখা হয়ে থাকে। ভারত সরকার বড় নোট বাতিল করার পর এসব দুর্নীতিবাজের অবৈধ সঞ্চয় আহরণ ও রক্ষাকরণের সুযোগ সীমিত হয়ে গেছে। বাংলাদেশে এসব নোট বাতিল করা হলে একই সুবিধা পাবে সরকার। অবশ্য এর আগে ১৯৭২ সালের মার্চ মাসে স্বাধীন বাংলাদেশ পাকিস্তান সরকার কর্তৃক প্রচলিত ৫০ টাকার নোট বাতিল ঘোষণা করে। এ নোট সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বা নিকটস্থ ডাকঘরে জমা দিয়ে নতুনভাবে মুদ্রিত নোট নেওয়ার জন্য তিন দিন সময় দেওয়া হয়েছিল। ১৯৭৫ সালের এপ্রিল মাসে বাংলাদেশ সরকার পাকিস্তান আমলে প্রচলিত ১০০ টাকার নোট বাতিল করে। ১০০ টাকার নোট যাতে দেশের অর্থ ব্যবস্থায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না করতে পারে এবং পাকিস্তান প্রত্যাগতরা বা পাকিস্তানপন্থিরা বাংলাদেশের সম্পদ পাকিস্তানে পাচার না করতে পারে সে জন্য এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। এতে বাংলাদেশ সরকার সফলতা পেয়েছিল। অন্যদিকে চলতি বছরে বাজেট ঘোষণায় বলা হয়, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য অর্থনৈতিক অঞ্চল ও হাইটেক পার্কে শিল্প স্থাপনে অপ্রদর্শিত আয় থেকে বিনিয়োগ করা অর্থের ওপর ১০ শতাংশ হারে কর দিলে ওই অর্থের উৎস সম্পর্কে আয়কর বিভাগ থেকে কোনো প্রশ্ন উত্থাপন করা হবে না। প্রস্তাবিত বাজেটে আবাসিক প্রয়োজনে বাড়ি বা অ্যাপার্টমেন্ট ক্রয়ে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগ সহজতর করা হয়েছে। নির্ধারিত হারে ট্যাক্স পরিশোধ করলে বিনিয়োগ করা টাকার উৎস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবে না সরকার। বর্তমানে প্রচলিত বাসা-বাড়ি, অফিসে জমানো অর্থ বাতিল করা হলে সব টাকা বিনিয়োগে চলে আসবে। একই সঙ্গে বিপুল পরিমাণ টাকার কর আদায় করা যাবে। জানতে চাইলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যানে ড. আবদুল মজিদ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, অবৈধভাবে যারা উপার্জন করেছে তাদের সব টাকা ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট হয়ে বাসা-বাড়িতে স্তূপ করেছে, সিন্দুকে রেখেছে। এসব অর্থ বিনিয়োগে আনতে এসব বড় নোট বাতিল করা হবে দেশের অর্থনীতির একটি বড় অর্জন। সরকার নির্দিষ্ট সময় দিয়ে ঝটিকা ঘোষণার মাধ্যমে এসব নোট বাতিল করার সময় এসেছে। সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. মির্জ্জা এ বি আজিজুল ইসলাম বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, সাধারণ মানুষ যাতে ভোগান্তির শিকার না হয় এমন পদ্ধতি মেনে বড় নোট বাতিল করা যায়। তবে এভাবে যাদের কাছে অর্থ সঞ্চিত আছে, তা বিনিয়োগে নিয়ে আসতে হবে। তাদেরকে খুঁজে বের করতে হবে।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নিউ আপডেট

গুণ্ডা আনতে বাংলাদেশে গিয়েছিলেন মোদি: তোপ মমতার

  পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের প্রাক্কালে নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফর নিয়ে ভারতে রাজনৈতিক বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে। ৩ এপ্রিল শনিবার এক জনসভায় তার এ স...

সকোল পোস্টগুলি পড়তে নিচে দেখুন