সাইফুল প্রশ্নে শিবিরের বক্তব্য
সাইফুল প্রশ্নে শিবিরের বক্তব্য
এ এম নিউজ 24 অনলাইন
‘পান্থপথ আস্তানায় নিহত সাইফুল শিবির কর্মী
ছিল’ উল্লেখ করে ছাত্রশিবিরকে জড়িয়ে
পুলিশের মহাপরিদর্শক এ কে এম শহীদুল ইসলাম যে বক্তব্য দিয়েছেন সেটাকে মিথ্যাচার এবং ভিত্তিহীন হিসেবে অভিহিত করে এর তীব্র
নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।
এক প্রতিবাদ বার্তায় ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয়
সভাপতি ইয়াছিন আরাফাত ও সেক্রেটারি
জেনারেল মোবারক হোসাইন বলেন, কোনো তদন্ত বা তথ্য প্রমাণ ছাড়াই রাজনৈতিক নেতাদের মতো পান্থপথে নিহত সাইফুলের সাথে ছাত্রশিবিরকে জড়িয়ে পুলিশের মহাপরিদর্শক এ কে এম শহীদুল ইসলাম যে দায়িত্বহীন বক্তব্য দিয়েছেন তাতে আমরা বিস্মিত। এটা নিকৃষ্ট ও সুপরিকল্পিত মিথ্যাচার। অভিযানে নিহত সাইফুলের সাথে ছাত্রশিবিরের দূরতম কোনো সম্পর্ক নেই। কোনো প্রকার তথ্য প্রমাণ ছাড়াই এখানে হুট করে ছাত্রশিবিরকে জড়িয়ে এই বক্তব্য
উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও রহস্যজনক।
তারা বলেন, তিনি তার এই বানোয়াট কথার
যুক্তিতে বলেছেন, জামায়াত-শিবির না হলে আজ জাতির পিতার মৃত্যু দিবসে, জাতীয় শোক দিবসে আরেকটি ঘটনা ঘটাবে, এটা ঘটাতে পারত না। যারা বঙ্গবন্ধুকে ষড়যন্ত্র করে হত্যা করেছে, তারাই ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে আজকে এই জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা করেছে। তার বক্তব্যে এই ঘটনায় দায়ী হয় আওয়ামী লীগ। কারণ বঙ্গবন্ধুকে যারা হত্যা করেছে, হত্যার সময় নীরব ভূমিকা পালন করেছে, হত্যার পর লাশ ফেলে রেখে মন্ত্রী সভায় শপথ নিয়েছে তারা সবাই ছিলেন আওয়ামী লীগের, এটাই বাংলাদেশের ইতিহাস। আইনশৃঙ্খলা
রক্ষাকারী বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে
ইতিহাসকে বিকৃত করার এই অনৈতিক অপচেষ্টা
লজ্জাজনক এবং দায়িত্বহীনতার নিকৃষ্ট নজির।
শিবির নেতারা বলেন, এর আগেও তিনি অনেক
রাজনৈতিক বক্তব্য ও প্রশ্নবিদ্ধ কর্মকাণ্ড দ্বারা
নিজেকে বিতর্কিত করেছেন। মূলত
পরিকল্পিতভাবে ছাত্রশিবিরকে জড়াতেই এই
মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছেন তিনি। দেশবাসী
দেখেছে যে জঙ্গি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ
সরকারের মন্ত্রী এমপিরা একেক সময় একেক রকম বক্তব্য দিচ্ছেন। পুলিশও তাদের মতোই
পরস্পরবিরোধী ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিয়েছেন।
জঙ্গিবাদ নিয়ে পুলিশ ও র্যাব-এর
প্রতিযোগিতামূলক ও প্রশ্নবিদ্ধ কর্মকাণ্ড
দেশবাসীর মনে নানা প্রশ্ন এবং বিভ্রান্তির
সৃষ্টি হয়েছে। আর আজ তার এই বক্তব্য
বিভ্রান্তিকে আরো প্রকট করবে।
তারা বলেন, আমরা এই একপেশে পুলিশ
কর্মকর্তাকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই,
বাংলাদেশে জঙ্গিপনা শুরু হয়েছিল আ. লীগের
আমলে এবং আ.লীগের শীর্ষ নেতা মির্জা আযমের ভগ্নিপতি বাংলা ভাইসহ শীর্ষ জঙ্গি নেতারা ছিলেন আ.লীগ নেতাদের নিকটাত্মীয়। গুলশানে হামলাকারী অন্যতম জঙ্গি রোহান আ.লীগের কেন্দ্রীয় নেতা ইমতিয়াজ খান বাবুলের ছেলে।
ময়মনসিংহের ত্রিশালে প্রিজন ভ্যান থেকে
জেএমবি’র দুর্ধর্ষ তিন জঙ্গিকে ছিনতাই করা
হয়েছিল ভালুকা থানা যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ
সম্পাদক আতাউর রহমান কামাল ওরফে যুবরাজের নির্দেশে। সরকারের তথাকথিত সাঁড়াশিঅভিযানের সময়ও ৬৩ জেলায় একযোগে বোমাহামলার আসামী নড়াইল সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি গাজী আব্দুল্লাহ আল মামুনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তার জঙ্গি
সংশ্লিষ্টতার ব্যপারে নিশ্চিত করেন, নড়াইল সদর থানার ওসি সুভাস বিশ্বাস। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীও জঙ্গি ফাহিমকে ছাত্রশিবিরের সাথে জড়িয়ে মিথ্যা বক্তব্য দিয়েছিলেন যা পরে মাদারীপুরের পুলিশ কর্মকর্তার বক্তব্যের মাধ্যমে মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছিল। তাছাড়াও জঙ্গিবাদী বহু ঘটনার সাথে আ.লীগের নেতাকর্মীদের সরাসরি সম্পৃক্ততা প্রমাণ হয়েছে। কিন্তু এই পুলিশ কর্মকর্তা কোনো দিনই তাদের নাম মুখে
আনেননি। দেশবাসীর কাছে পরিষ্কার যে সরকার
নিজেদের ব্যর্থতাকে আড়াল করতে তার মত কিছু দলীয় পুলিশ কর্মকর্তাদেরর ব্যবহার করছে। তার বক্তব্যে দেশবাসী মনে করে, কোনো পুলিশের দায়িত্বশীল অবস্থান থেকে নয় রবং আ লীগের মুখপাত্রের ভূমিকায় থেকেই তিনি এমন বক্তব্য দিয়েছেন।
শিবির নেতৃত্ব বলেন, আমরা মনেকরি, দেশে
ইসলাম ও ইসলামী আন্দোলনের বিরুদ্ধে সরকারে ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই এই বিভ্রান্তিকর বক্তব্য। আমরা দৃঢ়ভাবে বলতে চাই, ছাত্রশিবির নিয়মতান্ত্রিক কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ ছাত্রদেরকে সাথে নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।
কোনো প্রকার জঙ্গিবাদের সাথে ছাত্রশিবিরের
দূরতম কোনো সম্পর্ক নাই। কারণ শিবির
জঙ্গিবাদে বিশ্বাস করে না।
নেতৃবৃন্দ বলেন, কোনো গোষ্ঠির ক্রীড়নক হয়ে
দায়িত্ব ভূলে মিথ্যাচার করা পুলিশের পবিত্র
দায়িত্বের প্রতি চরম প্রতারণা। পুলিশের সর্বোচ্চ
ব্যক্তিই যদি এমন দায়িত্বহীন ভুমিকা পালন করেন তাহলে তার অধস্তনদের ভূমিকা কী হবে তা নিয়ে জাতি শঙ্কিত। কিন্তু জাতি পুলিশকে আরো দায়িত্বশীল ভূমিকায় দেখতে চায়। এমন
দায়িত্বহীন ভূমিকা অব্যাহত রাখলে জনগণের
অনাস্থা ছাড়া তারা আর কিছুই অর্জন করতে
পারবে না। যা কোনোভাবেই কাঙ্ক্ষিত নয়।
নেতৃবৃন্দ আইন-শৃঙ্খলার পবিত্র দায়িত্বে
নিয়োজিত থেকে মিথ্যাচার না করতে ও সুষ্ঠু
তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে
ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পুলিশের প্রতি আহ্বান
জানান।
বিজ্ঞপ্তি
‘পান্থপথ আস্তানায় নিহত সাইফুল শিবির কর্মী
ছিল’ উল্লেখ করে ছাত্রশিবিরকে জড়িয়ে
পুলিশের মহাপরিদর্শক এ কে এম শহীদুল ইসলাম যে বক্তব্য দিয়েছেন সেটাকে মিথ্যাচার এবং ভিত্তিহীন হিসেবে অভিহিত করে এর তীব্র
নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।
এক প্রতিবাদ বার্তায় ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয়
সভাপতি ইয়াছিন আরাফাত ও সেক্রেটারি
জেনারেল মোবারক হোসাইন বলেন, কোনো তদন্ত বা তথ্য প্রমাণ ছাড়াই রাজনৈতিক নেতাদের মতো পান্থপথে নিহত সাইফুলের সাথে ছাত্রশিবিরকে জড়িয়ে পুলিশের মহাপরিদর্শক এ কে এম শহীদুল ইসলাম যে দায়িত্বহীন বক্তব্য দিয়েছেন তাতে আমরা বিস্মিত। এটা নিকৃষ্ট ও সুপরিকল্পিত মিথ্যাচার। অভিযানে নিহত সাইফুলের সাথে ছাত্রশিবিরের দূরতম কোনো সম্পর্ক নেই। কোনো প্রকার তথ্য প্রমাণ ছাড়াই এখানে হুট করে ছাত্রশিবিরকে জড়িয়ে এই বক্তব্য
উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও রহস্যজনক।
তারা বলেন, তিনি তার এই বানোয়াট কথার
যুক্তিতে বলেছেন, জামায়াত-শিবির না হলে আজ জাতির পিতার মৃত্যু দিবসে, জাতীয় শোক দিবসে আরেকটি ঘটনা ঘটাবে, এটা ঘটাতে পারত না। যারা বঙ্গবন্ধুকে ষড়যন্ত্র করে হত্যা করেছে, তারাই ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে আজকে এই জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা করেছে। তার বক্তব্যে এই ঘটনায় দায়ী হয় আওয়ামী লীগ। কারণ বঙ্গবন্ধুকে যারা হত্যা করেছে, হত্যার সময় নীরব ভূমিকা পালন করেছে, হত্যার পর লাশ ফেলে রেখে মন্ত্রী সভায় শপথ নিয়েছে তারা সবাই ছিলেন আওয়ামী লীগের, এটাই বাংলাদেশের ইতিহাস। আইনশৃঙ্খলা
রক্ষাকারী বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে
ইতিহাসকে বিকৃত করার এই অনৈতিক অপচেষ্টা
লজ্জাজনক এবং দায়িত্বহীনতার নিকৃষ্ট নজির।
শিবির নেতারা বলেন, এর আগেও তিনি অনেক
রাজনৈতিক বক্তব্য ও প্রশ্নবিদ্ধ কর্মকাণ্ড দ্বারা
নিজেকে বিতর্কিত করেছেন। মূলত
পরিকল্পিতভাবে ছাত্রশিবিরকে জড়াতেই এই
মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছেন তিনি। দেশবাসী
দেখেছে যে জঙ্গি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ
সরকারের মন্ত্রী এমপিরা একেক সময় একেক রকম বক্তব্য দিচ্ছেন। পুলিশও তাদের মতোই
পরস্পরবিরোধী ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিয়েছেন।
জঙ্গিবাদ নিয়ে পুলিশ ও র্যাব-এর
প্রতিযোগিতামূলক ও প্রশ্নবিদ্ধ কর্মকাণ্ড
দেশবাসীর মনে নানা প্রশ্ন এবং বিভ্রান্তির
সৃষ্টি হয়েছে। আর আজ তার এই বক্তব্য
বিভ্রান্তিকে আরো প্রকট করবে।
তারা বলেন, আমরা এই একপেশে পুলিশ
কর্মকর্তাকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই,
বাংলাদেশে জঙ্গিপনা শুরু হয়েছিল আ. লীগের
আমলে এবং আ.লীগের শীর্ষ নেতা মির্জা আযমের ভগ্নিপতি বাংলা ভাইসহ শীর্ষ জঙ্গি নেতারা ছিলেন আ.লীগ নেতাদের নিকটাত্মীয়। গুলশানে হামলাকারী অন্যতম জঙ্গি রোহান আ.লীগের কেন্দ্রীয় নেতা ইমতিয়াজ খান বাবুলের ছেলে।
ময়মনসিংহের ত্রিশালে প্রিজন ভ্যান থেকে
জেএমবি’র দুর্ধর্ষ তিন জঙ্গিকে ছিনতাই করা
হয়েছিল ভালুকা থানা যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ
সম্পাদক আতাউর রহমান কামাল ওরফে যুবরাজের নির্দেশে। সরকারের তথাকথিত সাঁড়াশিঅভিযানের সময়ও ৬৩ জেলায় একযোগে বোমাহামলার আসামী নড়াইল সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি গাজী আব্দুল্লাহ আল মামুনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তার জঙ্গি
সংশ্লিষ্টতার ব্যপারে নিশ্চিত করেন, নড়াইল সদর থানার ওসি সুভাস বিশ্বাস। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীও জঙ্গি ফাহিমকে ছাত্রশিবিরের সাথে জড়িয়ে মিথ্যা বক্তব্য দিয়েছিলেন যা পরে মাদারীপুরের পুলিশ কর্মকর্তার বক্তব্যের মাধ্যমে মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছিল। তাছাড়াও জঙ্গিবাদী বহু ঘটনার সাথে আ.লীগের নেতাকর্মীদের সরাসরি সম্পৃক্ততা প্রমাণ হয়েছে। কিন্তু এই পুলিশ কর্মকর্তা কোনো দিনই তাদের নাম মুখে
আনেননি। দেশবাসীর কাছে পরিষ্কার যে সরকার
নিজেদের ব্যর্থতাকে আড়াল করতে তার মত কিছু দলীয় পুলিশ কর্মকর্তাদেরর ব্যবহার করছে। তার বক্তব্যে দেশবাসী মনে করে, কোনো পুলিশের দায়িত্বশীল অবস্থান থেকে নয় রবং আ লীগের মুখপাত্রের ভূমিকায় থেকেই তিনি এমন বক্তব্য দিয়েছেন।
শিবির নেতৃত্ব বলেন, আমরা মনেকরি, দেশে
ইসলাম ও ইসলামী আন্দোলনের বিরুদ্ধে সরকারে ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই এই বিভ্রান্তিকর বক্তব্য। আমরা দৃঢ়ভাবে বলতে চাই, ছাত্রশিবির নিয়মতান্ত্রিক কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ ছাত্রদেরকে সাথে নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।
কোনো প্রকার জঙ্গিবাদের সাথে ছাত্রশিবিরের
দূরতম কোনো সম্পর্ক নাই। কারণ শিবির
জঙ্গিবাদে বিশ্বাস করে না।
নেতৃবৃন্দ বলেন, কোনো গোষ্ঠির ক্রীড়নক হয়ে
দায়িত্ব ভূলে মিথ্যাচার করা পুলিশের পবিত্র
দায়িত্বের প্রতি চরম প্রতারণা। পুলিশের সর্বোচ্চ
ব্যক্তিই যদি এমন দায়িত্বহীন ভুমিকা পালন করেন তাহলে তার অধস্তনদের ভূমিকা কী হবে তা নিয়ে জাতি শঙ্কিত। কিন্তু জাতি পুলিশকে আরো দায়িত্বশীল ভূমিকায় দেখতে চায়। এমন
দায়িত্বহীন ভূমিকা অব্যাহত রাখলে জনগণের
অনাস্থা ছাড়া তারা আর কিছুই অর্জন করতে
পারবে না। যা কোনোভাবেই কাঙ্ক্ষিত নয়।
নেতৃবৃন্দ আইন-শৃঙ্খলার পবিত্র দায়িত্বে
নিয়োজিত থেকে মিথ্যাচার না করতে ও সুষ্ঠু
তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে
ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পুলিশের প্রতি আহ্বান
জানান।
বিজ্ঞপ্তি

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন