এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৫ পাইয়ে দেয়ার নামে প্রতারণায় নেমেছে বেশ কয়েকটি চক্র। এরা ফল পরিবর্তনের নানা বিজ্ঞাপন দিচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। বোর্ড কর্তৃপক্ষ বলছে, শতাধিক ফেইসবুক পেইজ এবং আইডি চিহ্নিত করা হয়েছে।
গত ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত হয় এসএসসি পরীক্ষা। ফল প্রকাশ হবে মে মাসে। এখন চলছে এইচএসসি পরীক্ষা।
এই দুই পরীক্ষার ফল পরিবর্তনের নামে প্রতারণায় নেমেছে কয়েকটি প্রতারক চক্র। তারা জিপিএ ফাইব পাইয়ে দেয়ার বিজ্ঞাপন দিচ্ছে সামিজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। বিকাশে টাকা পাঠিয়ে দিলেই ফল পরিবর্তন করে দেয়া হবে এমন প্রতারণায় সক্রিয় এসএসসি-এইচএসসি কোয়েশ্চেন আউট নামক এই ফেইসবুক পেইজ।
শিক্ষা বোর্ড বলছে, পরীক্ষার ফল পরিবর্তনের কোন সুযোগই নেই। এমন জালিয়াতির সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করা হচ্ছে।
আন্তঃশিক্ষাবোর্ডের সমন্বয়ক জিয়াউল হক বলেন, পরীক্ষা ফল পরিবর্তনের ক্ষমতা কারও নেই। এগুলো গুজব। আমরা এদের চিহ্নিত করছি।
প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরীক্ষার সময় ফেইসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারিতে চালাতে হবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইআইটি সহযোগী অধ্যাপক মইনুল হোসেন বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কেউ গুজব ছড়ালে সাথে সাথে আইডি ধরে যাতে চিহ্নিত করা যায় সেই ব্যবস্থা থাকতে হবে। সেই সাথে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দিতে হবে।
অভিভাবকরা বলছেন, এ ধরনের গুজবে শিক্ষার্থীদের মনোবল নষ্ট হয়। গুজব যাতে না ছড়াতে পারে সে জন্য কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া দাবি জানাচ্ছেন তারা।
এর আগেও প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান চলিয়ে তাদের খুব একটা দমানো যায়নি বলে মনে করেন অভিভাবকরা।
গত ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত হয় এসএসসি পরীক্ষা। ফল প্রকাশ হবে মে মাসে। এখন চলছে এইচএসসি পরীক্ষা।
এই দুই পরীক্ষার ফল পরিবর্তনের নামে প্রতারণায় নেমেছে কয়েকটি প্রতারক চক্র। তারা জিপিএ ফাইব পাইয়ে দেয়ার বিজ্ঞাপন দিচ্ছে সামিজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। বিকাশে টাকা পাঠিয়ে দিলেই ফল পরিবর্তন করে দেয়া হবে এমন প্রতারণায় সক্রিয় এসএসসি-এইচএসসি কোয়েশ্চেন আউট নামক এই ফেইসবুক পেইজ।
শিক্ষা বোর্ড বলছে, পরীক্ষার ফল পরিবর্তনের কোন সুযোগই নেই। এমন জালিয়াতির সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করা হচ্ছে।
আন্তঃশিক্ষাবোর্ডের সমন্বয়ক জিয়াউল হক বলেন, পরীক্ষা ফল পরিবর্তনের ক্ষমতা কারও নেই। এগুলো গুজব। আমরা এদের চিহ্নিত করছি।
প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরীক্ষার সময় ফেইসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারিতে চালাতে হবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইআইটি সহযোগী অধ্যাপক মইনুল হোসেন বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কেউ গুজব ছড়ালে সাথে সাথে আইডি ধরে যাতে চিহ্নিত করা যায় সেই ব্যবস্থা থাকতে হবে। সেই সাথে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দিতে হবে।
অভিভাবকরা বলছেন, এ ধরনের গুজবে শিক্ষার্থীদের মনোবল নষ্ট হয়। গুজব যাতে না ছড়াতে পারে সে জন্য কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া দাবি জানাচ্ছেন তারা।
এর আগেও প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান চলিয়ে তাদের খুব একটা দমানো যায়নি বলে মনে করেন অভিভাবকরা।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন