মহিলাদের জন্য স্তনের সমস্যা একটি অতি সাধারণ বিষয়৷ অনেক সময় স্তনজনিত অনেক সমস্যার সম্মুখীন হন মহিলারা৷ তার মধ্যে সবচেয়ে সাধারণ হল স্তনে ব্যাথা৷ এক বা দুই স্তনে মাঝামধ্যেই অনেকে ব্যাথা অনুভব করেন৷
কী কারণে স্তনে ব্যাথা হয়?
অনেক কারণে স্তনে ব্যাথা হতে পারে৷ তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি যে কারণগুলোতে ব্যাথা হয়, সেগুলি হল-
১) মাঝেমধ্যে দেহে হরমোনের তারতম্য ঘটে৷ সেই কারণে অনেক সময় বুকে ব্যাথা অনুভব করেন মহিলারা৷
২) মাসিকের সময় দেহে জলের পরিমাণ কমে যায়৷ সেই কারণে পিরিয়ডের সময় বুকে ব্যাথা করে৷
৩) অনেক মহিলা গর্ভধারণের সময় বুকে ব্যাথা অনুভব করেন৷
৪) ব্রেস্ট ফিডিং করালেও বুকে ব্যাথা হয়৷
৫) স্তনে কোনও ইনফেকশন হলে ব্যাথা অনুভূত হয়৷
৬) স্তন ক্যান্সার হলে ব্যাথা অবশ্যম্ভবী৷
এখানে একটা কথা বলে রাখা দরকার, যদি আপনার বুকে খুব বেশিদিন ধরে ব্যাথা অনুভূত হয়, তবে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন৷
অনেক কারণে স্তনে ব্যাথা হতে পারে৷ তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি যে কারণগুলোতে ব্যাথা হয়, সেগুলি হল-
১) মাঝেমধ্যে দেহে হরমোনের তারতম্য ঘটে৷ সেই কারণে অনেক সময় বুকে ব্যাথা অনুভব করেন মহিলারা৷
২) মাসিকের সময় দেহে জলের পরিমাণ কমে যায়৷ সেই কারণে পিরিয়ডের সময় বুকে ব্যাথা করে৷
৩) অনেক মহিলা গর্ভধারণের সময় বুকে ব্যাথা অনুভব করেন৷
৪) ব্রেস্ট ফিডিং করালেও বুকে ব্যাথা হয়৷
৫) স্তনে কোনও ইনফেকশন হলে ব্যাথা অনুভূত হয়৷
৬) স্তন ক্যান্সার হলে ব্যাথা অবশ্যম্ভবী৷
এখানে একটা কথা বলে রাখা দরকার, যদি আপনার বুকে খুব বেশিদিন ধরে ব্যাথা অনুভূত হয়, তবে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন৷
রোগ নির্ণয়
মহিলাদের দেহে স্তন খুব গুরুত্বপূর্ণ দেহাংশ৷ মাতৃত্ব যতটা গর্ভের উপর নির্ভরশীল, ততটাই ব্রেস্ট ফিডিংয়ের উপর৷ তাই স্তনে কোনও সমস্যা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত৷
এক্ষেত্রে চিকিৎসকরা আপনাকে প্রথমে সমস্ত কিছু বিস্তারিত জানতে চাইবেন৷ কোথায় ব্যাথা হচ্ছে, কতদিন ধরে হচ্ছে, এইসব৷ এরপর আসবে স্তনে কোনও ফোলা অংশ বা লাম্প আছে কিনা৷ যদি আপনার বয়স ৩৫-এর কম হয়, আর স্তনে কোনও লাম্প না থাকে, তাহলে আপনার কোনও টেস্টের দরকার নেই৷ যদি ৩৫-এর বেশি আপনার বয়স হয়, আর লাম্প না থাকে, তাহলে ডাক্তার আপনাকে ম্যামোগ্রাম করতে পারেন৷ এটি স্তনের একধরণের বিশেষ এক্স-রে৷ এটি বিশেষত স্তনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়৷ তবে যদি লাম্প না থাকে তবে একাধিক টেস্ট করাতে পারেন ডাক্তাররা৷ যেমন-
ম্যামোগ্রাম
ব্রেস্ট সোনোগ্রাম (এই টেস্টের সাহায্যে লাম্পের ছবি তোলা হয়)
ব্রেস্ট বায়পসি (এই টেস্টের জন্য কিছু টিস্যু দেহ থেকে বের করে নেওয়া হয়৷ তারপর সেটি অনুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে পরীক্ষা করা হয়)
মহিলাদের দেহে স্তন খুব গুরুত্বপূর্ণ দেহাংশ৷ মাতৃত্ব যতটা গর্ভের উপর নির্ভরশীল, ততটাই ব্রেস্ট ফিডিংয়ের উপর৷ তাই স্তনে কোনও সমস্যা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত৷
এক্ষেত্রে চিকিৎসকরা আপনাকে প্রথমে সমস্ত কিছু বিস্তারিত জানতে চাইবেন৷ কোথায় ব্যাথা হচ্ছে, কতদিন ধরে হচ্ছে, এইসব৷ এরপর আসবে স্তনে কোনও ফোলা অংশ বা লাম্প আছে কিনা৷ যদি আপনার বয়স ৩৫-এর কম হয়, আর স্তনে কোনও লাম্প না থাকে, তাহলে আপনার কোনও টেস্টের দরকার নেই৷ যদি ৩৫-এর বেশি আপনার বয়স হয়, আর লাম্প না থাকে, তাহলে ডাক্তার আপনাকে ম্যামোগ্রাম করতে পারেন৷ এটি স্তনের একধরণের বিশেষ এক্স-রে৷ এটি বিশেষত স্তনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়৷ তবে যদি লাম্প না থাকে তবে একাধিক টেস্ট করাতে পারেন ডাক্তাররা৷ যেমন-
ম্যামোগ্রাম
ব্রেস্ট সোনোগ্রাম (এই টেস্টের সাহায্যে লাম্পের ছবি তোলা হয়)
ব্রেস্ট বায়পসি (এই টেস্টের জন্য কিছু টিস্যু দেহ থেকে বের করে নেওয়া হয়৷ তারপর সেটি অনুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে পরীক্ষা করা হয়)
চিকিৎসা
স্তনে বিভিন্ন সমস্যার জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি রয়েছে৷ তবে স্তনের ব্যাথা সাধারণ হলে কিছু উপায় চিকিৎসকরা বাতলে দেন৷ যেমন-
সাপোর্ট ব্রা পরা
ব্যাথা কমানোর ওষুধ প্রয়োগ
ড্যানাজোলের প্রয়োগ
ক্যাফাইন এড়িয়ে চলা
লবণ কম খাওয়া
ভিটামিন-ই হা ভিটামিন-বি৬ খাওয়া
ওয়াটাক-পিল খাওয়া
অনেকসময় এই চিকিৎসাগুলো করালে দেখা যায় স্তনের ব্যাথা অনেকটাই কম থাকে৷ আস্তে আস্তে একসময় শেষও হয়ে যায়৷
স্তনে বিভিন্ন সমস্যার জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি রয়েছে৷ তবে স্তনের ব্যাথা সাধারণ হলে কিছু উপায় চিকিৎসকরা বাতলে দেন৷ যেমন-
সাপোর্ট ব্রা পরা
ব্যাথা কমানোর ওষুধ প্রয়োগ
ড্যানাজোলের প্রয়োগ
ক্যাফাইন এড়িয়ে চলা
লবণ কম খাওয়া
ভিটামিন-ই হা ভিটামিন-বি৬ খাওয়া
ওয়াটাক-পিল খাওয়া
অনেকসময় এই চিকিৎসাগুলো করালে দেখা যায় স্তনের ব্যাথা অনেকটাই কম থাকে৷ আস্তে আস্তে একসময় শেষও হয়ে যায়৷


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন